হযরত শাহরাস্তি ( রহঃ) জীবণ ও কর্ম……..

হযরত শাহরাস্তি ( রহঃ) জীবণ ও কর্ম
হযরত শাহরাস্তি ( রহঃ) জীবণ ও কর্ম

হযরত শাহরাস্তি (রহঃ) এর জীবণী নিয়ে লেখা বই টি ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন. https://drive.google.com/file/d/0B1BUreLMqtz5Uzdacmg5c3dCdUU/view?usp=sharing

Advertisements

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি কামনা করছি।

তথ্য-প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ও সঠিক ব্যবহারের নিমিত্ত বর্তমান সরকার গৃহীত “ন্যাশনাল আইসিটি ইনফ্রা নেটওয়ার্ক ফর বাংলাদেশ গর্ভনমেন্ট ফেইজ-২ (ইনফো সরকার)” প্রকল্পটি উপজেলা পর্যায়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে । উক্ত প্রকল্পের মাধ্যমে আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োগপ্রাপ্ত একজন করে টেকনিশিয়ান প্রতি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে কর্মসম্পাদন করে চলেছে। প্রকল্প থেকে প্রদত্ত উপজেলা পর্যায়ে সরকারি অফিসমূহের ইন্ট্রানেট কানেক্টিভিটি এবং ভিডিও কনফারেন্স এবং তৎসংক্রান্ত মালামাল সহ প্রায় ২১ টি কম্পোনেন্টের সার্বক্ষণিক তদারকির পাশাপাশি জাতীয় তথ্য বাতায়নে অন্তর্ভুক্ত উপজেলা ও ইউনিয়ন পোর্টাল হালনাগাদকরণ, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের কার্যক্রম তদারকি, ডিজিটাল সেন্টার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম মনিটরিং টুলস তদারকি, উন্নয়ন পরিবীক্ষণ সিস্টেমে তথ্য প্রদান, মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ মনিটরিং এবং উপজেলা পর্যায়ে আইটি সম্পর্কিত ডিভাইসের বিভিন্ন কারিগরী দিক রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত সহ নানাবিধ দাপ্তরিক কাজ করে আসছে। এতে করে উপজেলা পরিষদ তথ্য প্রযুক্তি সংক্রান্ত কার্যক্রমের পাশাপাশি দাপ্তরিক কাজেও উপকৃত হচ্ছে। বর্তমান সময়ে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং সরকারের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের অংশ হিসেবে উপজেলা টেকনিশিয়ান পদটি খুবই গুরুত্বর্পূণ,সেবাপ্রদানের গ্রহণযোগ্যতা ও কার্যকারিতা লাভ করছে। অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে বলা যায়, উপজেলা টেকনিশিয়ান পদটি বর্তমান উপজেলা পরিষদের দাপ্তরিক উপযোগিতায় চলে এসেছে। ইনফো সরকার প্রকল্পের ২১ এপ্রিল ২০১৬ তারিখের ৫৬.০১.০০০০.১১৩.০৭.০৪৩.২০১৩/৪-৩৭৮ নং স্মারকের পত্র মোতাবেক চলতি বছরের ৩০ জুনের পর টেকনিশিয়ান সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে কর্তৃপক্ষের চুক্তি শেষ হয়ে যাবে বিধায় উক্ত প্রকল্পে টেকনিশিয়ানগণের নিযুক্তিও সমাপ্ত হতে চলেছে। উল্লেখ্য, উপজেলা টেকনিশিয়ানগণ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সরাসরি তত্ত্বাবধানে কাজ করায় সরকারের ডিজিটাল কার্যক্রমের গতিশীলতা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পর্যায়ে যদি উপজেলা টেকনিশিয়ান পদটি প্রকল্প শেষ হওয়ার কারণে বিলুপ্ত হয় তাহলে এ কার্যক্রম কিছুটা হলেও প্রভাব পড়বে। একই বিষয়ে বিভিন্ন উপজেলা হতে একইরূপ মতামত সম্বলিত পত্র উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বরাবর দাখিল করা হয়েছে যার দ্বারা বুঝা যায় উপজেলা পর্যায়ে একজন টেকনিশিয়ান রাখা খুবই প্রয়োজন। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে দীর্ঘদিন এবং উক্ত প্রকল্পে ২ বছরেরও অধিক সময় কর্মরত থাকার কারণে টেকনিশিয়ানগণ আইটি এবং দাপ্তরিক কাজে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে পেরেছে ।
উপজেলা টেকনিশিয়ান পদটির গ্রহণযোগ্যতার নিরিখে উপজেলা টেকনিশিয়ানদের নিয়মিতকরণ অথবা সরাসরি নিয়োগের বিধান রেখে পদায়নের বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা প্রয়োজন।

জমি রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম, সবার জেনে রাখা দরকার

dolil-likhon-300x144
জমি রেজিস্ট্রেশনেরবাংলাদেশে প্রযোজ্য সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন ২০০৪ এর ৫৪এ ধারা অনুসারে অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি হবে লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (সংশোধন) আইন ২০০৪ এর ২১এ ধারার বিধান অনুসারে আদালতের মাধ্যমে চুক্তি বলবতের দুই শর্ত হলোঃ
  • লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত বায়না ব্যতীত চুক্তি প্রবলের মামলা আদালতের মাধ্যমে বলবৎ করা যাবে না।
  • বায়নার অবশিষ্ট টাকা আদালতে জমা না করলে মামলা দায়ের করা যাবে না।

রেজিস্ট্রেশনের সময় যে সকল কাগজপত্র প্রদান করতে হয়:

  • দলিল রেজিস্ট্রারিং অফিসার এ আইনে নতুন সংযোজিত ৫২এ ধারার বিধান অনুসারে বিক্রয়ের জন্য উপস্থাপিত কোন দলিল রেজিস্ট্রি করা হয় না যদি দলিলের সাথে নিচের কাগজগুলো সংযুক্ত থাকে:
  • রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ এর বিধান অনুসারে প্রস্তুতকৃত সম্পত্তির সর্বশেষ খতিয়ান, বিক্রেতার নাম যদি তিনি উত্তরাধিকার সূত্র ব্যতীত অন্যভাবে সম্পত্তির মালিক হয়ে থাকেন।
  • প্রজাস্বত্ব আইনের বিধান অনুসারে প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ খতিয়ান, বিক্রেতার নাম বা বিক্রেতার পূর্বসূরীর নাম যদি তিনি উত্তরাধিকারসূত্রে ঐ সম্পত্তি পেয়ে থাকেন।
  • সম্পত্তির প্রকৃতি।
  • সম্পত্তির মূল্য।
  • চতুর্সীমা সহ সম্পত্তির নকশা।
  • বিগত ২৫ বৎসরের মালিকানা সংক্রান্ত সংক্ষিপ্ত বিবরণ।
  • দাতা কর্তৃক এ মর্মে একটি হলফনামা (Affidavit) সম্পাদন করতে হবে যে তিনি উক্ত সম্পত্তি ইতোপূর্বে কারো নিকট বিক্রি করেননি এবং তিনিই দলিলে উল্লেখিত সম্পত্তির মালিক (He has Lawful Title)।

বিক্রয় বা সাফ কবলা দলিলের রেজিষ্ট্রেশন ব্যয় নিম্নরূপ:

২০০৯ সালের অক্টোবর থেকে পৌর এলাকা ভুক্ত এলাকার জন্য:

ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্প (সম্পত্তির মূল্যের)  ৩.০%
সরকারী রেজি: ফি (যা রেজিষ্ট্রি অফিসে নগদ জমা দিতে হয়)  ২.০%
স্থানীয় সরকার ফি (যা রেজিষ্ট্রি নগদ জমা দিতে হয়)  ১.০ %
উৎস কর (এক লক্ষ টাকার উপরের জন্য প্রযোজ্য)  ২.০%
গেইন ট্যাক্স ( পৌর/ সিটি কর্পোরেসনে জমা দিতে হয়)  ১.০ %
মোট =  ৯.০%

 

পৌর এলাকা বা সিটি কর্পোরেশন বহির্ভূত/ ইউনিয়ন পরিষদভুক্ত এলাকার জন্য:

ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্প (সম্পত্তির মূল্যের)  ২.০ %
সরকারী রেজি: ফি (যা রেজিষ্ট্রি অফিসে নগদ জমা দিতে হয়)  ২.০ %
স্থানীয় সরকার ফি (যা রেজিষ্ট্রি নগদ জমা দিতে হয়)  ১.০ %
উৎস কর (এক লক্ষ টাকার উপরের জন্য প্রযোজ্য)  ১.০ %
মোট =  ৬.০%

এছাড়াও প্রতিটি দলিল রেজিষ্ট্রির সময় ৫০/= (পঞ্চাশ) টাকা মূল্যের ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে হলফনামা ও একটি নোটিশ সংযুক্ত করতে হয়। উক্ত নোটিশে ১/= টাকা মূল্যের কোর্ট ফি সংযুক্ত হয়। দলিল রেজিষ্ট্রি করতে ১৫০ টাকার ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে দলিল সম্পাদন করতে হয় এবং ষ্ট্যাম্পের বাদবাকী মূল্য বাংলাদেশ ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে চালান করে, চালানের কপি সংযুক্ত করতে হয়।

দলিলের সার্টিফাইড কপি উত্তোলনের ক্ষেত্রে সরকারী ফি নিম্নরূপ:

ষ্ট্যাম্প বাবদ  ২০ টাকা
কোর্ট ফি  ৪ টাকা
মোট=  ২৪ টাকা
লেখনী বাবদ দলিলের প্রতি ১০০ শব্দ বা অংশ বিশেষের জন্য বাংলার জন্য  ৩ টাকা
প্রতি ১০০ ইংরেজী শব্দ বা অংশ বিশেষের জন্য  ৫ টাকা
জরুরী নকলের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত  ২০ টাকা
উক্ত নকল চার পৃষ্ঠার বেশি হলে প্রতি পৃষ্ঠার জন্য  ৫ টাকা

দান দলিল রেজিস্ট্রেশন এর নিয়ম:

রেজিস্ট্রেশন (সংশোধন) আইন ২০০৪ এ নতুন সংযোজিত ৭৮এ ধারা অনুসারে স্থাবর সম্পত্তির দানপত্র দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হয়। দান দলিল রেজিস্ট্রেশন ফি নিম্নরূপ:

স্বামী-স্ত্রী, পিতা-মাতা-সন্তান, দাদা-দাদী ও নাতি-নাতনী, সহোদর ভাই-ভাই, সহোদর বো-বোন এবং সহোদর ভাই ও সহোদর বোনের মধ্যে যে কোনো স্থাবর সম্পত্তির দানপত্র দলিল রেজিস্ট্রি ফি ১০০ টাকা।
উল্লিখিত সম্পর্কের বাইরের ব্যক্তিবর্গের মধ্যে সম্পাদিত দানপত্র দলিল রেজিস্ট্রির ফি হবে কবলা দলিল রেজিস্ট্রির জন্য প্রযোজ্য ফি’র অনুরূপ।

 

জীবন স্বত্ত্বে দান দলিল রেজিস্ট্রেশন ফিঃ

স্প্যাম্প এ্যাক্ট ১৯০৮ এর ৫৮ নং আর্টিক্যাল অনুসারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান (মুসলিম ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান) এর জন্য জীবন স্বত্ত্বে দানের বিধান হলো – যে প্রতিষ্ঠানের নামে সম্পত্তি দান করা হবে সে প্রতিষ্ঠান ঐ সম্পত্তি শুধু ভোগ-দখল করতে পারবে, সম্পত্তি কোনরূপ হস্তান্তর করতে পারবে না। এরূপ জমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে দানকারীর নামে। কোন কারণে ঐ প্রতিষ্ঠানটি কার্যকর না থাকলে সম্পত্তি দানকারীর মালিকানায় চলে যাবে এবং দান দলিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

স্ট্যাম্প ফি  ২%
রেজিস্ট্রেশন ফি  ২.৫%
ই ফিস  প্রযোজ্য

ডিজিটাল পদ্ধতিতে খাদ্য সংগ্রহ হবে : পলক

polok20151226115725

মধ্যস্বত্বভোগীর হস্তক্ষেপ বন্ধে সরকার ডিজিটাল পদ্ধতিতে খাদ্য সামগ্রী সংগ্রহ করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ধান-চাল ক্রয়ে কৃষকদের নির্ধারিত মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতেই এই পদ্ধতির সংযোজন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) লিভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ, এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড গভর্নেন্স (এলআইসিটি) প্রকল্প খাদ্য অধিদফতরের খাদ্য সংগ্রহ পদ্ধতির ডিজিটাইজেশন করার লক্ষ্যে যুক্তরাজ্যভিত্তিক আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ংকে নিয়োগ দিয়েছে।

তিনি বলেন, আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে এবং আগামী ছয় মাসের মধ্যে খাদ্য অধিদফতরের খাদ্য সংগ্রহ পদ্ধতির ডিজিটাইজেশনের একটি সফটওয়্যার চালিত অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করবে। এ অ্যাপ্লিকেশনটিতে কৃষকের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন, তাদের উৎপাদিত ধানের পরিমাণের তথ্য এবং কৃষককে অনলাইনে এবং ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে ধান ক্রয়ের তথ্য জানানোর বিধানসহ আরও কিছু ব্যবস্থা যুক্ত থাকছে।

প্রতিমন্ত্রী পলক শনিবার এ প্রতিবেদককে আরও বলেন, সরকার ধান ক্রয়ে মধ্যসত্বভোগীর হস্তক্ষেপ বন্ধ করার লক্ষেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এতে ফড়িয়া, দালাল তথা মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম অনেকটাই কমে যাবে। একজন কৃষকের উৎপাদিত খাদ্য পণ্যের মূল্য নিশ্চিত করতেই সনাতনী পদ্ধতির পরিবর্তে এই ডিজিটালাইজেশনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। একজন কৃষক সহজেই ক্ষুদে বার্তা বা অনলাইনে প্রেরিত বার্তা ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে জেনে তার উৎপাদিত ধান ও চাল সরাসরি স্থানীয় খাদ্য সংগ্রহ কেন্দ্রে বিক্রয় করতে পারবেন।

বিসিসি’র নির্বাহী পরিচালক এস এম আশরাফুল ইসলাম বলেন, সরকার প্রতি বছর বোরো মৌসুমে প্রায় ১২ লাখ মেট্রিক টন ধান ও চাল ক্রয় করে থাকে। কিন্তু প্রচলিত খাদ্য সংগ্রহ পদ্ধতিতে কৃষকরা অনেক ক্ষেত্রে সরকার নিধরিত মূল্য পায় না বলে অভিযোগ রয়েছে। বিসিসি’র এলআইসিটি প্রকল্পের উদ্যোগে খাদ্য অধিদফতরের খাদ্য সংগ্রহ পদ্ধতি ডিজিটাইজেশন প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হলে এ ধরনের অভিযোগ আর থাকবে না।

ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন নয় , বাস্তবতা।

তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ প্রবাহের এ যুগে বাংলাদেশ আজ সামনের সারির একটি দেশ। সরকারের সময়োচিত পদক্ষেপের ফলে গত সাড়ে ছয় বছরে দেশেতথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়নের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটেছে। দেশে ইন্টারনেট ব্যবহার বেড়েছে গাণিতিক হারে। শহরাঞ্চলে ঘরে ঘরে ইন্টারনেটের উপস্থিতি ছাড়াও প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও এর উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থেকে শুরু করে রেজিস্ট্রেশন এবং ফল নিজেরাই কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানতে পারছে। বিদেশে যাওয়ার ভিসার আবেদনপত্র ঘরে বসেই পূরণ করছেন অনলাইনে। প্রযুক্তি বিজ্ঞানীদের মতে, ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তবতা।

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা ৫ কোটি ৪৯ লাখ ৫৯ হাজার জন। গত দুই মাস আগে যা ছিল ৫ কোটি ২২ লাখ ১৯ হাজার জন। এর মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক ৫ কোটি ২১ লাখ ৮৮ হাজার জন। দুই মাস আগে ছিল ৫ কোটি সাত লাখ ৪৩ হাজার। ওয়াইম্যাক্স ব্যবহার করছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ও আইএসপি ও পিএসটিএন ইন্টারনেট গ্রাহক ১৯ লাখ ২১ হাজার জন গ্রাহক।

সম্প্রতি বিটিআরসি’র এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত নভেম্বর মাস পর্যন্ত দেশে ৬টি মোবাইল কোম্পানির মোট গ্রাহক সংখ্যা ১৩ কোটি ১৫ লাখ ৩৮ হাজার। যা গত মাসের আগে ছিল ১৩ কোটি ৮ লাখ ৪৩ হাজার।

বর্তমান সরকার ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার আগেই বাংলাদেশকে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সমগ্র দেশকে ইন্টারনেটের আওতায় আনা সেই অঙ্গীকারেরই একটি অংশ। সরকারে এই অঙ্গীকার পূরণে নিরলসভাবে কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো।

এ বিষয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রীজুনাইদ আহমেদ পলক জাগো নিউজকে বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ আর কোনো স্বপ্ন নয়। দেশের ৯৯ ভাগ এলাকা মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় এসেছে। দেশে থ্রি-জি প্রযুক্তির মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু করা হয়েছে। ফোর-জি প্রযুক্তি অচিরেই চালু করা হবে। তরুণ তরুণীদের হাতের মুঠোয় ইন্টারনেট। পৃথিবীটা তাদের হাতের মুঠোয় এসেছে ইন্টারনেটের কল্যাণে। এখন গ্রামাঞ্চলের তরুণরা ইন্টারনেট ব্যবহারে অনেক এগিয়ে গেছে, যা গত কয়েক বছর আগেও কল্পনা করা যায়নি।

তিনি আরো বলেন, আমাদের অর্থনীতির এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বর্পূণ বিষয় হয়ে গেছে ইন্টারনেট। বোমা মারা আর মানুষ মারার রাজনীতি তরুণরা দেখতে চায় না। কারণ, আমাদের গন্তব্য প্রযুক্তি নির্ভর জাতি ও ডিজিটাল বাংলাদেশ।

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মোস্তাফা জব্বার জাগো নিউজকে বলেন, প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ করে এদেশের ১৬ কোটি মানুষের জীবনকে সুখি সমৃদ্ধশালী করা এখন আর স্বপ্ন নয়। ক্ষুধা, দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ডিজিটাল বাংলাদেশের বিকল্প নেই। আর এই ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের কারিগর হলো তরুণ প্রজন্ম।

নিজেই বানান স্পিকার

গান শুনতে ইচ্ছে করছে। সঙ্গে নেই কোন স্পিকার বা হেডফোন। কিভাবে গান শোনার আশা পূরণ করবেন? আপনার হাতের কাছে যদি থাকে সামান্য কিছু উপকরণ তবে খুব সহজেই নিজেই বানিয়ে ফেলতে পারবেন স্পিকার।  আসুন জেনে নিন স্পিকার বানানোর কলা-কৌশল।

যা যা লাগবে:
১. কয়েল তার (সর্বোচ্চ ২৬ গজ)
২. একটি প্লাস্টিকের গ্লাস
৩. একটি চুম্বকের টুকরো
৪. একটি পেপার ক্লিপ
৫. পুরাতন হেডফোনের জ্যাক
৬. একটি টেপ
৭. কাগজের টুকরো
৮. একটি স্ক্রু
৯. প্লাস
১০. কাঁচি
৩. সুপার গ্লু গান

যেভাবে বানাবেন:
প্রথমে এক টুকরো কাগজকে (২×৬) ইঞ্চি করে দুই টুকরো করুন। চুম্বকের টুকরোটিকে কাগজের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে গোলাকার তৈরি করুন এবং এক টুকরো টেপ দিয়ে পেপারটাকে আটকান। অন্য টুকরো পেপারেও চুম্বক প্রবেশ করিয়ে আরও একটি গোলাকার করে এটিকে টেপ দিয়ে আটকান। দ্বিতীয় গোলাকার কাগজটিকে প্রথমটার ভেতরে প্রবেশ করান।

এবার একটি কয়েল তার নিন। তারটিকে ৮০ বার পেচান। পেচানো শেষে ২ ইঞ্চি করে তার অতিরিক্ত রাখুন। পেচানোর পর বস্তুটি দেখতে স্পিকার কয়েলের মতো দেখাবে। এবার তারগুলোর উপর গ্লু গান দিয়ে আটকে দিন। যাতে তারগুলো ছুটে না যায়। এবার সেকেন্ড রোল করা পেপার টুকরো টিকে প্রথমটি থেকে বের করুন।

এবার কয়েলের বাইরে কাগজের যে অংশ রয়েছে, সেটাকে কাঁচি দিয়ে  চার টুকরো করেন।

গ্লাসটির মধ্যস্থলে গ্লু গান দিয়ে চার কোণায় আটকান। লাগানোর পর মাঝখান থেকে গোলাকার করে প্লাস্টিকের অংশটি কাটুন যাতে মাঝখানে গোলাকার একটা বৃত্তের সৃষ্টি হয়।

এই বৃত্তটিকে কেন্দ্র করে ১ সে.মি. মাপের আরও একটি গোলাকার বৃত্ত গ্লাস থেকে কাটুন। এই অতিরিক্ত কাটা প্লাস্টিকটি আর কাজে লাগবে না।

টেপ দিয়ে প্লাস্টিকের বাইরের অংশটিকে ঢেকে দিন। এরপর ভেতরের অংশেও আরেকটি টেপ লাগান। যাতে আঠালো অংশটা গ্লাসের বাইরের দিকে থাকে। এবার কয়েলযুক্ত পেপার ‍টুকরোটিকে টেপের আঠালো অংশের উপর সংযুক্ত করেন।

জেমস ক্লিপটাকে প্লাস দিয়ে সোজা করেন। জেমস ক্লিপের এক মাথাকে পেঁচিয়ে কুন্ডলির মতো করুন।

এবার একটি স্ক্রু নিয়ে জেমস ক্লিপের পেচানো অংশটিকে উপরের অংশে সংযুক্ত করেন। আর অন্য অংশটি সোজা করে গ্লাসের সাথে গ্লু গান দিয়ে সংযুক্ত করেন।

পেঁচানো কয়েলের বাইরে যে ২ ইঞ্চি তার অতিরিক্ত ছিলো তা কাঁচি দিয়ে পরিস্কার করুন। পু্রাতন হেডফোনের চার ইঞ্চি পর্যন্ত তার কাটুন।

 

কাটার পর ভেতরে তিনটি তার দেখতে পাবেন। কালো, লাল ও হলুদ। একটি তার মাটির দিকে থাকবে। আর বাকি দুটি তার এলিগেটরের সঙ্গে যুক্ত হবে।  অন্য অংশটি এলিগেটরের মাধ্যমে গ্লাসের তারের সাথে যুক্ত হবে। গ্লাসটি স্পিকারের এমপ্লিফ্লাইয়ার হিসেবে কাজ করবে। সাউন্ড জোরে শুনতে পাবেন যদি গ্লাসের খোলা অংশটি আপনার দিকে রাখেন। এবার গান শোনার পালা।

মহেশখালীতে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক……………

12207973_770244766420747_483283576_n

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় মহোদয়কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন কক্সবাজার জেলার উপজেলা টেকনিশিয়ানবৃন্দ।12212148_1659942957596795_632918926_n

অনলাইনে কিভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করবেন ও নতুন ভোটার হবেন?

অ্যাফিলিয়েট-মার্কেটিং

আমরা অনেকেই জানিনা বর্তমানে অনলাইনে আবেদন করে নতুন ভোটার হওয়া যায়। তাছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডির জন্য আবেদন করে সংশোধন করা যায়। একইসঙ্গে হারিয়ে গেলে, কোনো তথ্য সংশোধন বা ছবি পরিবর্তনও করা যাবে অনলাইনে। সচিত্রে আলোচনা দেখে খুব সহজেই অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ছবি পরিবর্তন, তথ্য পরিবর্তন ও নতুন ভোটার হবার বিস্তারিত নিয়মকানুন জানতে পারবেন। জেনে নিন বিস্তারিত-

অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্রের কি কি পরিবর্তন আপনি নিজেই করতে পারবেন ?

  • তথ্য পরিবর্তন
  • ঠিকানা পরিবর্তন
  • ভোটার এলাকা স্থানান্তর
  • পুনঃমূদ্রণ
  • ছবি পরিবর্তন
  • আবেদনপত্রের হাল অবস্থা

কিভাবে ছবি পরিবর্তন ও তথ্য হালনাগাদ ও আপনার সকল ডাটাবেজ দেখতে পারবেন?

প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করতে এই লিংকে যান>>> https://services.nidw.gov.bd/registration

(এই সাইট https ফরম্যাটে হওয়াতে আপনার ফায়ারফক্স ব্রাউজারে এটা লেখা আসতে পারে This Connection is Untrusted সেক্ষেত্রে সমাধান হলো প্রথমে I Understand the Risks ক্লিক করেন তারপর ।

  1. On the warning page, click I Understand the Risks.
  2. Click “Add Exception‘…. The Add Security Exception dialog will appear.
  3. Click “Confirm Security Exception” ক্লিক করুন সাইট চলে আসবে । )

কারা অনলাইন সেবার জন্য রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন !!

আপনি ভোটার হয়ে থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করে এই ওয়েবসাইটের সুবিধা নিন। রেজিষ্ট্রেশন করতে নিন্মের ধাপসমূহ অনুসরণ করুণ-

  • প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী পূরণ করে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।
  • আপনার কার্ডের তথ্য ও মোবাইলে প্রাপ্ত এক্টিভেশন কোড সহকারে লগ ইন করুন।
  • তথ্য পরিবর্তনের ফর্মে তথ্য হালনাগাদ করে সেটির প্রিন্ট নিয়ে নিন।
  • পৃন্টকৃত ফর্মে স্বাক্ষর করে সেটির স্ক্যানকৃত কপি অনলাইনে জমা দিন।
  • তথ্য পরিবর্তনের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় দলিলাদি কালার স্ক্যান কপি অনলাইনে জমা দিন।

এবার রেজিষ্ট্রেশনফরমপুরনকরতেচাই ক্লিক করুন ।

এবার ফরমটি সঠিক ভাবে পুরন করুনঃ

  • এন.আই.ডি নম্বরঃ (আপনার এন.আই.ডি নম্বর যদি ১৩ সংখ্যার হয় তবে অবশ্যই প্রথমে আপনার জন্মসাল দিয়ে নিবেন উদাহরণঃ আপনার কার্ড নাম্বার ১২৩৪৫৬৭৮৯১০০০ ও জন্মসাল ১৯৯০ আপনি এভাবে দিবেন১৯৯০১২৩৪৫৬৭৮৯১০০০)
  • জন্ম তারিখঃ (কার্ড দেখে সিলেক্ট করুন)
  • মোবাইল ফোন নম্বরঃ (আপনার সঠিক মোবাইল নাম্বার দিন কারন মোবাইলে ভেরিফাই কোড পাঠাবে )
  • ইমেইলঃ (ইচ্ছা হলে দিতে পারেন না দিলে সমস্যা নাই, ইমেইল আইডি দিলে পরবর্তীতে লগইন করার সময় ভেরিফাই কোড ইমেইলে সেন্ড করতে পারবেন যদি মোবাইল হাতের কাছে না থাকে)

· বর্তমান ঠিকানা

    • বিভাগ জেলা উপজেলা/থানা সিলেক্ট করুন ভোটার হবার সময় যা দিয়েছিলেন ।

· স্থায়ী ঠিকানা

  • বিভাগ জেলা উপজেলা/থানা সিলেক্ট করুন ভোটার হবার সময় যা দিয়েছিলেন ।

· লগইন পাসওয়ার্ড

  • পাসওয়ার্ড অবশ্যই ৮ সংখ্যার হতে হবে বড় হাতের অক্ষর ও সংখ্যা থাকতে হবে যেমনঃ InfoPedia71

এবার সঠিক ভাবে ক্যাপচা পুরন করুন ছোট হাতের বড় হাতের অক্ষর বা সংখ্যা যা দেওয়া আছে তাই বসান তবে স্পেস দিতে হবেনা ।

এবার “রেজিষ্টারবাটন ক্লিক করে দ্বিতীয় ধাপে চলে যান

ফরম টি সঠিক ও সফল ভাবে রেজিস্টার করার পর দেখুন আপনার মোবাইলে ভেরিফাই কোড এসেছে ও ব্রাউজারে ঐ কোড সামমিট করার অপশন এসেছে , নিচের ছবির মত স্থানে আপনার মোবাইলেরভেরিফিকেশন কোড বাসান ও রেজিস্টার বাঁটনে ক্লিক করুন ।

(২ মিনিটের মধ্যে মোবাইলে কোড না আসলে পুন রায় কোড পাঠান (SMS) ক্লিক করুন)

সঠিক ভাবে কোড প্রবেশ করার পর আপনার Account Active হয়ে যাবে এবার নিচের ছবির মত পেইজ আসবে আপনাকে লগইন করতে বলা হবে অথবা লগইন লিংক>>https://services.nidw.gov.bd/login

লগইন করতে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর (১৩ সংখ্যার হলে অবশ্যই প্রথমে আপনার জন্মসাল দিয়ে নিবেন) জন্মতারিখ ও আপনার দেওয়া পাসওয়ার্ড দিয়ে ভেরিফাই কোড কিভাবে পেতে চান তা সিলেক্ট করতে হবে ।

রেজিস্ট্রেশন করা মোবাইল নাম্বার আপনার হাতের কাছে থাকলে মোবাইলে তা নাহলে ইমেইলে সিলেক্ট করুন ।

এবার সামনে ক্লিক করুন ।

এবার আপনার সিলেক্ট করা অপশন মোবাইলে বা ইমেইল থেকে ভেরিফাই কোড বসিয়ে লগইন করুন ।

২ মিনিটের মধ্যে যদি কোড না আসে তবে “পুনরায় কোড পাঠান” বাটনে ক্লিক করুন ।

নির্বাচন কমিশনের কাছে থাকা আপনার ডাটাবেজের সব তথ্য দেখা যাবে এবার। নিচের যেকোনো অপশনে চাহিদা অনুযায়ী ক্লিক করুন আর তথ্য হালনাগাদ করুন। এভাবেই আপনি আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধন কিংবা ছবি পরিবর্তন করতে পারবেন খুব সহজেই।

কিভাবে অনলাইনে নতুন ভোটার হওয়া যাবে ?

অনলাইনে ভোটার হবার আবেদন করতে এই লিংকে যান https://services.nidw.gov.bd/newVoter

আপনার ভোটার তথ্য পুরন করুন । অনলাইনে ভোটার হতে নিচের শর্ত গুলো ভাল করে পড়ে নিন এবং “আমিরাজিনিবন্ধনফরমপূরণকরতেচাই ক্লিক করুন ।

নতুন ভোটার নিবন্ধন !!

১) নতুন ভোটার হিসাবে নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় আপনাকে স্বাগত জানাই।

ক) ভূমিকাঃ

  • অনলাইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আপনি সঠিকভাবে ভোটার রেজিষ্ট্রেশন ফর্ম পূরণ করতে পারবেন)
  • আপনি ইতোমধ্যে ভোটার হয়ে থাকলে পুনরায় আবেদন করার প্রয়োজন নেই। নিবন্ধিত ব্যাক্তি পুনরায় আবেদন করলে সেটি দন্ডনীয় অপরাধ
  • নতুন ১৮ বয়সের অধিক, প্রবাসী বা বাদপড়া ভোটারগণ এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন
  • বিস্তারিত জানার জন্য এখানে ক্লিক করুন ।

খ। ধাপসমূহঃ

  • ধাপে ধাপে সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করুন
  • নিজের পূর্ণনাম ছাড়া সকল তথ্য বাংলায় ইউনিকোডে পুরণ করুন
  • সকল ধাপ সম্পন্ন হবার পরে প্রিভিউএর মাধ্যমে সকল তথ্য পুনর্বার যাচাই করে নিন
  • পিডিএফ ফাইল তৈরি করে সেটি প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ নিকটস্থ নির্বাচন অফিসে জমা দিন
  • আপনার প্রদত্ত তথ্যাদি যাচাই এবং ঠিকানা যাচাইয়ের পরে তথ্যাদি সঠিক নিশ্চিত হলে আপনার কার্ড তৈরি হবে
  • কার্ডের রশিদ জমা দিয়ে কার্ড সংগ্রহ করুন
  • ফরমের সাথে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের কপি জমা দিন

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন সংক্রান্ত

প্রশ্নঃ কার্ডের তথ্য কিভাবে সংশোধন করা যায়?
উত্তরঃ এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে। সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত উপযুক্ত দলিলাদি আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

প্রশ্নঃ কার্ডে কোন সংশোধন করাহলে তার কি কোন রেকর্ড রাখা হবে?
উত্তরঃ সকল সংশোধনের রেকর্ড সেন্ট্রাল ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকে।

প্রশ্নঃ ভুল ক্রমে পিতা/স্বামী/মাতাকে মৃত হিসেবে উল্লেখ করা হলে সংশোধনের জন্য কিকি সনদ দাখিল করতে হবে?
উত্তরঃ জীবিত পিতা/স্বামী/মাতাকে ভুলক্রমে মৃত হিসেবে উল্লেখ করার কারণে পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।

প্রশ্নঃ আমি অবিবাহিতআমার কার্ডে পিতা না লিখে স্বামী লেখাহ য়েছেকিভাবে তা সংশোধন করা যাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আপনি বিবাহিত নন মর্মে প্রমাণাদিসহ আবেদন করতে হবে।

প্রশ্নঃ বিয়ের পর স্বামীর নাম সংযোজনের প্রক্রিয়া কি?
উত্তরঃ নিকাহনামা ও স্বামীর আইডি কার্ড এর ফটোকপি সংযুক্ত করে NID Registration Wing/ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর আবেদন করতে হবে।

প্রশ্নঃ বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছেএখন ID Card থেকেস্বামীর নাম কিভাবে বাদ দিতে হবে?
উত্তরঃ বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত দলিল (তালাকনামা) সংযুক্ত করে NID Registration Wing/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।

প্রশ্নঃ বিবাহ বিচ্ছেদের পর নতুন বিবাহ করেছি এখন আগের স্বামীর নামের স্থলে বর্তমান স্বামীর নাম কি ভাবেসংযুক্তকরতে পারি?
উত্তরঃ প্রথম বিবাহ বিচ্ছেদের তালাকনামা ও পরবর্তী বিয়ে কাবিননামাসহ সংশোধন ফর্ম পূরণ করে আবেদন করতে হবে।

প্রশ্নঃ আমি আমার পেশা পরিবর্তন করতে চাই কিন্তু কিভাবে করতে পারি?
উত্তরঃ এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে প্রামাণিক কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। উলেখ্য, আইডি কার্ডে এ তথ্য মুদ্রণ করা হয় না।

প্রশ্নঃ আমার ID Card এরছবি অস্পষ্ট, ছবি পরিবর্তন করতেহলে কি করা দরকার?
উত্তরঃ এক্ষেত্রে নিজে সরাসরি উপস্থিত হয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

১০প্রশ্নঃ নিজ/পিতা/স্বামী/মাতার নামের বানান সংশোধন করতে আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে?
উত্তরঃ এসএসসি/সমমান সনদ, জন্ম সনদ, পাসপোর্ট, নাগরিকত্ব সদন, চাকুরীর প্রমাণপত্র, নিকাহ্‌নামা, পিতা/স্বামী/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হয়।

১১প্রশ্নঃ নিজের ডাক নাম বা অন্যনামেনিবন্ধিত হলে সংশোধনে রজন্য আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে?
উত্তরঃ এসএসসি/সমমান সনদ, বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্ত্রী/ স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি, ম্যাজিট্রেট কোর্টে সম্পাদিত এফিডেভিট ও জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি,ওয়ারিশ সনদ,ইউনিয়ন/পৌর বা সিটি কর্পোরেশন হতে আপনার নাম সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র।

১২প্রশ্নঃ পিতা/মাতাকেমৃতউল্লেখ করতে চাইলে কিকি সনদ দাখিল করতে হয়?
উত্তরঃ পিতা/মাতা/স্বামী মৃত উল্লেখ করতে চাইলে মৃত সনদ দাখিল করতে হবে।

১৩প্রশ্নঃ ঠিকানা কিভাবে পরিবর্তন/ সংশোধন করা যায়?
উত্তরঃ শুধুমাত্র আবাসস্থল পরিবর্তনের কারনেই ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য বর্তমানে যে এলাকায় বসবাস করছেন সেই এলাকার উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসে ফর্ম ১৩ এর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। তবে একই ভোটার এলাকার মধ্যে পরিবর্তন বা ঠিকানার তথ্য বা বানানগত কোন ভুল থাকলে সাধারণ সংশোধনের আবেদন ফরমে আবেদন করে সংশোধন করা যাবে।

১৪প্রশ্নঃ আমি বৃদ্ধ অত্যন্ত দরিদ্র ফলে বয়স্কভাতা বাঅন্য কোন ভাতা খুব প্রয়োজনকিন্তু নির্দিষ্ট বয়স নাহওয়ারফলেকোন সরকারী সুবিধা পাচ্ছিনালোকে বলে ID Card –বয়সটা বাড়ালে সকল ভাতা পাওয়া যাবে?
উত্তরঃ ID Card এ প্রদত্ত বয়স প্রামাণিক দলিল ব্যতিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, প্রামানিক দলিল তদন্ত ও পরীক্ষা করে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

১৫প্রশ্নঃ একই পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের কার্ডে পিতা/মাতার নাম বিভিন্ন ভাবে লেখাহয়েছে কিভাবে তাসংশোধনকরাযায়?
উত্তরঃ সকলের কার্ডের কপি ও সম্পর্কের বিবরণ দিয়ে NID Registration Wing/ উপজেলা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর পর্যাপ্ত প্রামাণিক দলিলসহ আবেদন করতে হবে।

১৬প্রশ্নঃ আমি পাশনাকরে ও অজ্ঞতা বশতঃশিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা তদুর্দ্ধ লিখেছিলাম এখন আমার বয়স বাঅন্যান্যতথ্যা দিসংশোধনের উপায়কি?
উত্তরঃ আপনি ম্যাজিট্রেট আদালতে এস.এস.সি পাশ করেননি, ভুলক্রমে লিখেছিলেন মর্মে হলফনামা করে এর কপিসহ সংশোধনের আবেদন করলে তা সংশোধন করা যাবে।

১৭প্রশ্নঃ ID Card অন্য ব্যক্তির তথ্য চলেএ সেছেভুল কি ভাবে সংশোধন করা যাবে?
উত্তরঃ ভুল তথ্যের সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত দলিল উপস্থাপন করে NID Registration Wing/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।এক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক যাচাই করার পর সঠিক পাওয়া গেলে সংশোধনের প্রক্রিয়া করা হবে।

১৮প্রশ্নঃ রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভূক্ত বা সংশোধনের জন্য কি করতে হয়?
উত্তরঃ রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন করতে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়কৃত ডায়াগনোসটিক রিপোর্ট দাখিল করতে হয়।

১৯প্রশ্নঃবয়স/ জন্ম তারিখ পরিবর্তন করার প্রক্রিয়া কি?
উত্তরঃ এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার সনদের সত্যায়িত ফটোকপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। এসএসসি বা সমমানের সনদ প্রাপ্ত না হয়ে থাকলে সঠিক বয়সের পক্ষে সকল দলিল উপস্থাপনপূর্বক আবেদন করতে হবে। আবেদনের পর বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনে ডাক্তারী পরীক্ষা সাপেক্ষে সঠিক নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।

২০প্রশ্নঃ স্বাক্ষর পরিবর্তন করতে চাই, কিভাবে করতে পারি?
উত্তরঃ নতুন স্বাক্ষর এর নমুনাসহ গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র সংযুক্ত করে আবেদন করতে হবে। তবে স্বাক্ষর একবারই পরিবর্তন করা যাবে।

২১প্রশ্নঃ আমার জন্মতারিখ যথাযথ ভাবে লেখা হয় নি, আমার কাছে প্রামাণিক কোন দলিল নেই, কিভাবে সংশোধনকরাযাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২২প্রশ্নঃএকটি কার্ড কতবা রসংশোধন করা যায়?
উত্তরঃ এক তথ্য শুধুমাত্র একবার সংশোধন করা যাবে। তবে যুক্তিযুক্ত না হলে কোন সংশোধন গ্রহণযোগ্য হবে না।

প্রশ্নঃ ID Card হারিয়ে গিয়েছেকিভাবে নতুন কার্ড পেতে পারি?
উত্তরঃ নিকটতম থানায় জিডি করে জিডির মূল কপিসহ সংশ্লিষ্ট উপজেল/থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে অথবা ঢাকায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

প্রশ্নঃ হারা নোআইডি কার্ড পেতে বা তথ্য সংশোধনের জন্য কি কোন ফি দিতে হয়?
উত্তরঃ এখনো হারানো কার্ড পেতে কোন প্রকার ফি দিতে হয় না। তবে ভবিষ্যতে হারানো আইডি কার্ড পেতে/সংশোধন করতে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি ধার্য করা হবে।

প্রশ্নঃ হারানো সংশোধন একই সাথে করাযায় কি?
উত্তরঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে সম্ভব নয়। আগে হারানো কার্ড তুলতে হবে, পরবর্তীতে সংশোধনের জন্য আবেদন করা যাবে।

প্রশ্নঃ হারিয়ে যাওয়া আইডিকার্ড কি ভাবে সংশোধন করব?
উত্তরঃ প্রথমে হারানো আইডি কার্ড উত্তোলন করে তারপর সংশোধনের আবেদন করতে হবে।

প্রশ্নঃ প্রাপ্তিস্বীকার পত্র / স্লিপ হারালে করণীয় কি?
উত্তরঃ স্লিপ হারালেও থানায় জিডি করে সঠিক ভোটার আইডি নাম্বার দিয়ে হারানো কার্ডের জন্য আবেদন পত্র জমা দিতে হবে।

প্রশ্নঃ প্রাপ্তিস্বীকারপত্র / ID Card হারিয়ে গেছে কিন্তু কোন Document নেইবা NID নম্বর/ ভোটার নম্বর/ স্লিপেরনম্বরনেই, সেক্ষেত্রে কি করণীয়?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস থেকে Voter Number সংগ্রহ করে NID Registration Wing/ উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে আবেদন করতে হবে।

প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয় পত্রে নেই কিন্তু তথ্য পরিবর্তিত হয়েছে এমন তথ্যাদিপরিবর্তন কি ভাবে সম্ভব?
উত্তরঃজাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে এ সংক্রান্ত কাগজপত্রাদি সহ আবেদন করলে যাচাই-বাছাই করে বিবেচনা করা হবে।

প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয়পত্রের মান বর্তমানে তেমন ভালো না এটা কি ভবিষ্যতে উন্নতকরা রসম্ভাব না আছে?
উত্তরঃ হ্যাঁ। আগামীতে স্মার্ট আইডি কার্ড প্রদানের জন্য কাযর্ক্রম চলমান আছে যাতে অনেক উন্নত ও আধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ থাকবে এবং মান অনেক উন্নত হবে।

প্রশ্নঃ আমি যথাসময়ে ভোটার হিসেবে Registration করতে পারিনিএখন কি করা যাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে যথাযথ কারণ উল্লেখপূর্বক আবেদন করতে পারেন।

প্রশ্নঃ আমি বিদেশে অবস্থানের কারণে Voter Registration করতে পারিনি, এখন কি ভাবে করতে পারবো?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে বাংলাদেশ পাসপোর্ট-এর অনুলিপিসহ জন্ম সনদ, নাগরিকত্ব সনদ, এসএসসি (প্রযোজ্যক্ষেত্রে) সনদ, ঠিকানার সমর্থনে ইউটিলিটি বিলের কপি বা বাড়ী ভাড়া বা হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদের কপিসহ আবেদন করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ফর্মসমূহ পূরণ করতে হবে।

৩।প্রশ্নঃ আমি২০০৭/২০০৮ অথবা ২০০৯/২০১০ সালে ভোটার রেজিস্ট্রেশন করেছি কিন্তু সেইসময় আইডিকার্ড গ্রহণকরিনিএখন কিভাবে আইডিকার্ড পেতে পারি?
উত্তরঃ আপনি আপনার ভোটার রেজিস্ট্রেশনের সময় প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকার পত্রটি নিয়ে যে স্থানে ভোটার হয়েছেন সেই এলাকার উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করুন। যদি সেখানেও না পাওয়া যায় তাহলে প্রাপ্তি রশিদে উপজেলা নির্বাচন অফিসারের মন্তব্যসহ স্বাক্ষর ও সিল দিয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে যোগাযোগ করা যাবে।

প্রশ্নঃ ভোটার তালিকার নামের সাথে বিভিন্ন খেতাব, পেশা, ধর্মীয় উপাধি, পদবী ইত্যাদি যুক্ত করা যাবে কি না?
উত্তরঃ ভোটার তালিকার ডাটাবেজে শুধুমাত্র নাম সংযুক্ত করা হয়, কোন উপাধি বা অর্জিত পদবী তাতে সংযুক্ত করার অবকাশ নাই।

প্রশ্নঃ কোথা হতে ID Card সংগ্রহ করা যাবে?
উত্তরঃ যে এলাকায় ভোটার রেজিস্ট্রেশন করেছেন সেই এলাকার উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস থেকে ID Card সংগ্রহ করা যাবে।

প্রশ্নঃআমি বিদেশে চলে যাবআমার কার্ডকি অন্য কেউ উত্তোলন করতে পারবে?
উত্তরঃ হ্যাঁ । আপনার ক্ষমতা প্রাপ্ত প্রতিনিধির যথাযথ ক্ষমতাপত্র ও প্রাপ্তি স্বীকারপত্র (Authorization Letter) নিয়ে তা সংগ্রহ করাতে পারবে।

প্রশ্নঃ কার্ডে ইচ্ছাকৃ তভুল তথ্য দিলে কিহবে?
উত্তরঃ জেল বা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

জাতীয় পরিচয় পত্রন ম্বর১৩ আবার কারো ১৭কেন?
উত্তরঃ ২০০৮ এর পরে যত আইডি কার্ড প্রিন্ট করা হচ্ছে বা পুণঃ তৈরি হচ্ছে সে সকল কার্ডের নম্বর ১৭ ডিজিট হয়ে থাকে।

প্রশ্নঃ বিভিন্ন দলিলে আমার বিভিন্ন বয়স/নাম আছেকোনটা ভোটার রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে?
উত্তরঃ এসএসসি অথবা সমমানের পরীক্ষার সনদে উল্লেখিত বয়স ও নাম। ভবিষ্যতে ৫ম/৮ম সমাপনী পরীক্ষার সনদ ও গ্রহণযোগ্য হবে।লেখাপড়া না জানা থাকলে জন্ম সনদ,পাসপোর্ট,ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে ও আবেদন করা যাবে।

১০প্রশ্নঃ আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে কি ডুপ্লিকেট এন্ট্রিসনাক্ত করা সম্ভব?
উত্তরঃ হ্যাঁ, সনাক্ত করা সম্ভব।

১১প্রশ্নঃ এক ব্যক্তির পক্ষেকি একাধিক নামেবয়সে একাধিক কার্ডপাওয়া সম্ভব?
উত্তরঃ না। একজন একটি মাত্র কার্ড করতে পারবেন। তথ্য গোপন করে একাধিক স্থানে ভোটার হলে কেন্দ্রীয় সার্ভারে আঙুলের ছাপ দ্বারা তা ধরা পড়বে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা হবে।

১২প্রশ্নঃ নতুন ভোটার হওয়ার ক্ষেত্রে কি কি কাগজ পত্রাদি প্রয়োজন?
উত্তরঃ জন্ম নিবন্ধন সনদ, এস,এস,সি বা সমমানের পরীক্ষা পাসের সনদ (যদি থাকে), ঠিকানা প্রমানের জন্য কোন ইউটিলিটি বিলের কপি, নাগরিক সনদ, বাবা-মা এবং বিবাহিত হলে স্বামী/স্ত্রীর NID কার্ডের ফটোকপি, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, TIN নম্বর (যদি থাকে)।

১৩প্রশ্নঃ আমি খুব দরিদ্র বয়স ১৮বছরে রকম১৮ বছরে রউপরে বয়স দেখিয়ে একটি ID Card পেলেগার্মেন্টেসফ্যাক্টরিতে বা অন্য কোথাও চাকুরী পেতে পারিমানবিক কারণে এই পরিস্থিতি বিবেচনা করা যায় কি?
উত্তরঃ না। ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।মানবিক বিবেচনার কোন সুযোগ নেই।

১৪প্রশ্নঃ আমি ভুলে দুবার রেজিস্ট্রেশন করে ফেলে ছি এখন কিকরবো?
উত্তরঃ যত দ্রুত সম্ভব বিষয়টি সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসে লিখিতভাবে ক্ষমা প্রার্থনা জানান। বর্তমানে Finger Print Matching কার্যক্রম চলছে। অচিরেই সকল Duplicate Entry সনাক্ত করা হবে। উল্লেখ্য, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

১৫প্রশ্নঃ ID Card আছে কিন্তু ২০০৮ এর সংসদনির্বাচনের সময় ভোটার তালিকায় নাম ছিল নাএরূপ সমস্যাসমাধানে রউপায় কি?
উত্তরঃ অবিলম্বে NID Registration Wing/ উপজেলা/ জেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করুন।

১৬প্রশ্নঃ এক জনের কার্ডঅ ন্যজন সংগ্রহ করতে পারবে কি না?
উত্তরঃ ক্ষমতাপত্র ও প্রাপ্তিস্বীকার রশিদ নিয়ে আসলে সংগ্রহ করা যাবে।

১৭প্রশ্নঃ আপনারা বিভিন্ন ফরমের কথা বলেছেন? এগুলো কোথায় পাওয়া যাবে?
উত্তরঃ NID Registration Wing/উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করে সংগ্রহ করা যাবে অথবা Website :http://www.ecs.gov.bd বা http://www.nidw.gov.bd থেকে ডাউন-লোড করা যাবে।

১৮প্রশ্নঃ এইসমস্ত ফরমের জন্য কোন মূল্য পরিশোধ করতে হয় কি না?
উত্তরঃ না।

জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে করণীয়

প্রশ্নঃ কার্ডের তথ্য কিভাবে সংশোধন করা যায়?
উত্তরঃ এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে। সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত উপযুক্ত দলিলাদি আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

প্রশ্নঃ কার্ডে কোন সংশোধন করা হলে তারকি কোন রেকর্ড রাখা হবে?
উত্তরঃ সকল সংশোধনের রেকর্ড সেন্ট্রাল ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকে।

প্রশ্নঃ ভুল ক্রমে পিতা/স্বামী/মাতাকে মৃতহিসেবে উল্লেখ করা হলে সংশোধনের জন্য কি কি সনদ দাখিল করতে হবে?
উত্তরঃ জীবিত পিতা/স্বামী/মাতাকে ভুলক্রমে মৃত হিসেবে উল্লেখ করার কারণে পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।

প্রশ্নঃ আমি অবিবাহিতআমার কার্ডে পিতা না লিখে স্বামী লেখা হয়েছেকিভাবে তা সংশোধন করা যাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আপনি বিবাহিত নন মর্মে প্রমাণাদিসহ আবেদন করতে হবে।

প্রশ্নঃ বিয়ের পর স্বামীর নাম সংযোজনের প্রক্রিয়া কি?
উত্তরঃ নিকাহনামা ও স্বামীর আইডি কার্ড এর ফটোকপি সংযুক্ত করে NID Registration Wing/ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর আবেদন করতে হবে।

প্রশ্নঃ বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছেএখন ID Card থেকেস্বামীর নাম বিভাবে বাদ দিতে হবে?
উত্তরঃ বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত দলিল (তালাকনামা) সংযুক্ত করে NID Registration Wing/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।

প্রশ্নঃ বিবাহ বিচ্ছেদের পর নতুন বিবাহ করেছি এখন আগের স্বামীর নামের স্থলে বর্তমান স্বামীর নাম কিভাবেসংযুক্তকরতে পারি?
উত্তরঃ প্রথম বিবাহ বিচ্ছেদের তালাকনামা ও পরবর্তী বিয়ে কাবিননামাসহ সংশোধন ফর্ম পূরণ করে আবেদন করতে হবে।

প্রশ্নঃ আমি আমার পেশা পরিবর্তন করতে চাই কিন্তু কি ভাবে করতে পারি?
উত্তরঃ এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে প্রামাণিক কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। উলেখ্য, আইডি কার্ডে এ তথ্য মুদ্রণ করা হয় না।

প্রশ্নঃ আমার ID Card এর ছবি অস্পষ্ট, ছবি পরিবর্তন করতে হলে কি করা দর কার?
উত্তরঃ এক্ষেত্রে নিজে সরাসরি উপস্থিত হয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

১০প্রশ্নঃ নিজ/পিতা/স্বামী/মাতার নামের বানান সংশোধন করতে আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে?
উত্তরঃ এসএসসি/সমমান সনদ, জন্ম সনদ, পাসপোর্ট, নাগরিকত্ব সদন, চাকুরীর প্রমাণপত্র, নিকাহ্‌নামা, পিতা/স্বামী/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হয়।

১১প্রশ্নঃ নিজের ডাক নাম বা অন্য নামে নিবন্ধিত হলে সংশোধনের জন্য আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতেহবে?
উত্তরঃ এসএসসি/সমমান সনদ, বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্ত্রী/ স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি, ম্যাজিট্রেট কোর্টে সম্পাদিত এফিডেভিট ও জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি,ওয়ারিশ সনদ,ইউনিয়ন/পৌর বা সিটি কর্পোরেশন হতে আপনার নাম সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র।

১২প্রশ্নঃ পিতা/ মাতাকেমৃতউল্লেখ করতে চাইলে কি কি সনদ দাখিল করতে হয়?
উত্তরঃ পিতা/মাতা/স্বামী মৃত উল্লেখ করতে চাইলে মৃত সনদ দাখিল করতে হবে।

১৩প্রশ্নঃ ঠিকানা কিভাবে পরিবর্তন/ সংশোধন করা যায়?
উত্তরঃ শুধুমাত্র আবাসস্থল পরিবর্তনের কারনেই ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য বর্তমানে যে এলাকায় বসবাস করছেন সেই এলাকার উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসে ফর্ম ১৩ এর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। তবে একই ভোটার এলাকার মধ্যে পরিবর্তন বা ঠিকানার তথ্য বা বানানগত কোন ভুল থাকলে সাধারণ সংশোধনের আবেদন ফরমে আবেদন করে সংশোধন করা যাবে।

১৪প্রশ্নঃ আমি বৃদ্ধ অত্যন্ত দরিদ্র ফলে বয়স্ক ভাতা বা অন্য কোন ভাতা খুব প্রয়োজনকিন্তু নির্দিষ্ট বয়স না হওয়ারফলেকোন সরকারী সুবিধা পাচ্ছিনালোকে বলে ID Card –বয়স টা বাড়ালে সকল ভাতা পাওয়া যাবে?
উত্তরঃ ID Card এ প্রদত্ত বয়স প্রামাণিক দলিল ব্যতিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, প্রামানিক দলিল তদন্ত ও পরীক্ষা করে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

র গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন করতে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়কৃত ডায়াগনোসটিক রিপোর্ট দাখিল করতে হয়।

উল্লেখ্য, ১ সেপ্টেম্বর থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র নবায়ন এবং হারানো বা নষ্ট হলে নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র নেয়ার জন্য আলাদা আলাদা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বর্তমানে লাগেনা।

পরিচয়পত্র নবায়ন করতে সাধারণ ১শ’ টাকা ও জরুরি ১৫০ টাকা দিতে হবে। হারিয়ে ফেললে বা নষ্ট হলে নতুন পরিচয়পত্র নিতে প্রথমবার আবেদনে ২শ’ টাকা, জরুরি ভিত্তিতে ৩শ’ টাকা। দ্বিতীয়বার আবেদনে ৩শ’ টাকা জরুরি ভিত্তিতে ৫শ’ এবং পরবর্তী যে কোনো ৫শ’ টাকা ও জরুরি প্রয়োজনে ১ হাজার টাকা দিতে হবে ।

বর্তমানে ৯ কোটি ৬২ লাখেরও বেশি ভোটারের জাতীয় পরিচয়পত্র রয়েছে। তাদেরকে বিনামূল্যে লেমিনেটে পরিচয়পত্র দেয়া হয়। এর মেয়াদ রয়েছে ১৫ বছর। এ সময়ের পরেই নবায়ন করা যাবে এ পরিচয়পত্র। তবে হারানো বা নষ্ট হলে গেলে ডুপ্লিকেট পরিচয়পত্র সংগ্রহে ইসির পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হয়। এ আবেদনের মাধ্যমে এতদিন বিনামূল্যে পরিচয়পত্র সংগ্রহ করা যেত। এখন থেকে নির্ধারিত ফি ইসি সচিব বরাবর পে অর্ডার বা অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে জমা দিয়ে পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে হবে।

তথ্যসুত্র: নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ

নাটোরে মাত্র ২০ পয়সা ইউনিটে বিদ্যুৎ ! এক বাংলাদেশীর আবিষ্কারে বিস্মিত বিশ্ব

63-300x200

বর্তমানে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের দাম গুনতে হয় তিন টাকা ৮০ পয়সা থেকে ৯ টাকা ৯৮ পয়সা পর্যন্ত। অথচ নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার জুনাইদ পাওয়ার লিমিটেড কম্পানি একটি যন্ত্র উদ্ভাবন করেছে, যেখানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ পড়বে মাত্র ২০ পয়সা।
কম্পানিটি পরীক্ষামূলকভাবে ২৫০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। ওই যন্ত্রে ১০ মিনিট জ্বালানি ব্যবহারের পর তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দাবি, প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে এ কম্পানি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দিতে পারবে।

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সাবেক মহাব্যবস্থাপক ও বিদ্যুৎ প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন ওই যন্ত্র দেখেছেন। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিদ্যুৎ জেনারেশন (উৎপাদন) ও ট্রান্সমিশন (সঞ্চালন) বিষয়ে নানাভাবে যাচাই-বাছাই করেছি। কোনো অসংগতি পাইনি। এটাকে বলে ফিলার জেম। এই যন্ত্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণের বিষয়ে আমি শতভাগ আশাবাদী।’

বড়াইগ্রাম উপজেলার পাঁচবাড়ীয়া গ্রামে প্রকৌশলী জালাল উদ্দিনের ভাড়া বাড়িতে ওই কম্পানির ঠিকানা। সেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন যন্ত্র বসানো হয়েছে।

জালাল উদ্দিন জানান, তিনি ১৯৭৪ সালের ১ আগস্ট সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকে ছিলেন ডানপিটে স্বভাবের এবং কোনো কিছু আবিষ্কারের নেশা তাঁর মাথায় ঘুরপাক করত। ২০০৫ সালে এমবিএ পাস করেন। একটি ব্যাটারি কম্পানিতে চাকরি করতেন। তখন থেকে কিভাবে কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায় সে বিষয়ে চেষ্টা করতে থাকেন।

ফ্লাই হুইল, ইলেকট্রিক্যাল, রেটিও, অ্যাসেন্ট অ্যান্ড ডিসেন্ট, লেভেল, গ্র্যাভিটেশন অ্যান্ড মেকানিক্যালসহ নানা প্রকার বিদ্যুৎ শক্তির সমন্বয় করে একটি যন্ত্র উদ্ভাবন করেন। তাঁর এই যন্ত্র তৈরি করতে ৫৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। তাঁর অত টাকা ছিল না। এ কারণে তিনি স্থানীয় দু-একজন ব্যবসায়ীকে নিয়ে গঠন করেন জুনাইদ পাওয়ার লিমিটেড কম্পানি। তিনি দাবি করেন, যন্ত্রটিতে প্রথমে বাইরের যেকোনো শক্তি জ্বালানি হিসেবে ১০ মিনিট ব্যবহার করতে হয়। এরপর পুনর্চক্রাকার (রিসাইকেল) পদ্ধতিতে ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ যন্ত্রটি জ্বালানি শক্তি হিসেবে ব্যবহার করে বাকি ৬০ শতাংশ সঞ্চালন করে। এর বিদ্যুৎ উৎপাদনে আউটপুট ৩.২ শতাংশ। এটি বায়ু ও শব্দদূষণমুক্ত।

জালাল উদ্দিন বলেন, ‘একটি পাঁচ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন যন্ত্র তৈরি করতে খরচ পড়বে দেড় মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যন্ত্রের দাম ও পরিচালনা খরচসহ ইউনিটপ্রতি উৎপাদন খরচ পড়বে মাত্র ২০ পয়সা। গ্যাস, ডিজেল, ফার্নেস অয়েল, সৌর, জল, পরমাণুবিদ্যুৎ এই যন্ত্রে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।’ তিনি জানান, একটি শক্তি ব্যবহার করে ১০ মিনিটে যন্ত্রটিকে সচল করা হয়। এরপর এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। বাইরে থেকে বাড়তি জ্বালানি দিতে হয় না।

জুনাইদ পাওয়ার লিমিটেডের প্রকৌশলী হুসেন আলী বলেন, ‘একবার চালু করলে মেইন সুইচ বন্ধ না করা পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন চলতে থাকে।’

জুনাইদ পাওয়ার লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান মাজেদুল আলম বলেন, ‘অর্থ সহায়তার জন্য আমরা ব্যাংকঋণের চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বাণিজ্যিকভাবে কার্যক্রম শুরু না করলে ঋণ দেবে না। ফলে আমাদের স্বপ্নপূরণ মুখ থুবড়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে। আমি এ বিষয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

জুনাইদ পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা চিত্তরঞ্জন তালুকদার বলেন, ‘অর্থাভাবে আমাদের কাজ থেমে আছে। প্রয়োজনীয় আর্থিক সহযোগিতা পেলে আমরা অবশ্যই দেশের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করতে পারব। শুধু তা-ই নয়, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের চাহিদা মেটানো সম্ভব।’

পাঁচবাড়ীয়া গ্রামের বাসিন্দা রব্বেল আলী বলেন, ‘এত কম টাকায় বিদ্যুৎ পেলে কলকারখানা আরো বাড়বে। লোডশেডিং থাকবে না। দেশের চেহারা পাল্টে যাবে।’

মোবাইল নম্বর গোপন রেখে কল করার নিয়মাবলী

phone

ফোন করার সঙ্গে সঙ্গেই মোবাইল নম্বর ফোন রিসিভকারী ব্যক্তি পেয়ে যান। এ ক্ষেত্রে মেয়েরা অনেক সময় সমস্যায় পড়ে যান। অপরিচিত ব্যক্তিরা শুধু শুধু ডিস্ট্রাব করতে থাকে। তাই এখনই জেনে নিন, কিভাবে মোবাইল নম্বর গোপন রেখে কল করা যায় তার নিয়মাবলী।

মূলত এ সমস্য থেকে আপনি নিশ্চিত মুক্তি পেতে পারেন কিছু কার্যকরি অ্যাপস ব্যবহার করে। নানা ধরনের অ্যাপ অবশ্য আগে থেকেই রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করা যায় কিন্ত তারজন্য আবার একটি ভুয়া নম্বর ব্যবহার করতে হয়। এজন্য অবশ্য বেশ ঝামেলায় পড়তে হয়। এসব অ্যাপের সাহায্যে কাওকে ফোন করার সময় বদলে ফেলা যায় নিজের মোবাইল নম্বর। এক্ষেত্রে অ্যাপটি ব্যবহারকারীর আসল নম্বর লুকিয়ে রাখে এবং ব্যবহারকারীর দেওয়া অন্য একটি ভুয়া নম্বর প্রদর্শন করে থাকে।

অনেকেই পরিচয় বদলের এই জাতীয় অ্যাপ হিসেবে ব্যবহার করছেন যেমন Voxox, Lifehacker, Spoofcard, Tracebust, CallerIDFaker ইত্যাদি। এসব অ্যাপের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছে Tracebust অ্যাপটি।

প্রাথমিকভাবে এর ট্রায়াল ভারসন ব্যবহার করা যাবে, কিন্তু পরবর্তীতে ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে মূল্য পরিশোধ করতে হবে। প্রযুক্তি বিশ্বের এইসব সুযোগগুলো ব্যবহারের সুযোগ নিচ্ছে অনেকেই। তবে পাওয়ানাদারের কাছ থেকে পাওয়া উদ্ধারে এমন অ্যাপ আপনি ব্যবহার করতেই পারেন।

ন্যাশনাল আইসিটি ইনফ্রা নেটওয়ার্ক ফর বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ফেজ ২ (ইনফো-সরকার) বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল,তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ

%d bloggers like this: